Toto Service – রাজ্যে এবার পাকাপাকিভাবে টোটো চালানো নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি। এই নিয়ম না মানলে বাতিল হবে সেই টোটো গাড়ি।
রাজ্যে আবারও নিষেধাজ্ঞা জারি টোটোর উপর। নিয়ম না মানলে বন্ধ করে দেওয়া হবে বহু টোটোর চলাচল। বার বার সতর্ক করার পর এবার পাকাপাকি ভাবে টোটো এর নিয়ন্ত্রন আনতে নয়া পরিকল্পনা প্রশাসনের।
Toto Service in West Bengal
রাজ্যের টোটো চালকদের জন্য খারাপ খবর। পশ্চিমবঙ্গের চালু হতে চলেছে টোটো চালকদের জন্য এই বিশেষ নিয়ম (Toto Service). সরকার স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এবার থেকে টোটো গুলি যদি এই নিয়ম না মানে তাহলে বাতিল করে দেওয়া হবে (Toto Service) সেই টোটোর যাত্রী পরিবহনের লাইসেন্স। এমনকি সেই টোটোর চালকের বিরুদ্ধেও নেওয়া হতে পারে কড়া ব্যবস্থা। শুধু তাই নয়, লাইসেন্স ছাড়া টোটো চড়া ঝুকিপুরন, তাই সাধারণ যাত্রীদের ও সতর্ক করা হয়েছে।
Toto Service নিয়ে নয়া নিয়ম
কিন্তু নতুন কি সেই বিশেষ নিয়ম যদি না মানলে কেড়ে নেওয়া হতে পারে টোটো চালানোর অনুমতি? চলুন আর কথা না বাড়িয়ে দেখে নেওয়া যাক বিষয়টি সম্পর্কে বিশদে।
বর্তমানে টোটো বা ই রিক্সা (e-rickshaw) দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষত কম দূরত্বে যাবার জন্য এই পরিবহণ ব্যবস্থাটি অত্যন্ত কার্যকরী। তাই দিনকে দিন টোটোর সংখ্যাও বেড়ে চলেছে অত্যাধিক হারে।
তবে যাত্রীদের মধ্যে একাংশের অভিমত যে রাস্তাঘাট গুলিতে নাকি নির্দিষ্ট টোটো গুলি ছাড়াও বহু টোটো অবৈধভাবে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে। আর এই সমস্ত অবৈধ টোটোর সংখ্যা বাড়ার ফলে স্বাভাবিকভাবেই যানজটে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। তাই এবার এই সমস্যা রুখতে রাজ্যের সব টোটোগুলির সরকারিভাবে নথিভুক্তকরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত কয়েকদিন আগেই রাজ্যের পরিবহণ দফতর মারফত জানতে পারা যায় এই বিষয়টি সম্পর্কে।
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে এবার থেকে প্রতিটি টোটো ডিলারকে সরকারের কাছে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে তার টোটো (Toto Service) বা ই রিক্সার। যে টোটোগুলির রেজিস্ট্রেশন থাকবে সেগুলির নাম রাখা হবে একটি সাদা তালিকায়। অন্যথায় যে টোটো গুলি এই নিয়মের অধীনে থাকবে না সেগুলির নাম রাখা হবে একটি কালো তালিকায়, এমনটা জানিয়েছে রাজ্যের পরিবহন দপ্তর। দ্রুত এ বিষয়টিকে চালু করার জন্য পরিবহন দপ্তর কর্তৃক রাজ্যের বিভিন্ন টোটোর ডিলারের সঙ্গে একটি বৈঠক করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই বিশেষ সিদ্ধান্তের ফলে একদিকে রাস্তাঘাটে যেমন বৈধ টোটো গুলির এবং যাত্রীদের চলাচলের সুবিধা হল, তেমনি অন্যদিকে নিরাপত্তাও প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি পেল যাত্রীদের। যেমন ভাবে চার চাকা অথবা দুই চাকার গাড়িতে সরকারের রেজিস্ট্রেশন নাম্বার থাকার দরুন সেটিকে সনাক্ত করতে সুবিধা হয়, ঠিক তেমনভাবেই টোটো রেজিস্ট্রেশন করলে সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি টোটোর একটি নম্বর দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন, আজ থেকে বাড়ছে রান্নার গ্যাসের দাম। পশ্চিমবঙ্গে প্রতি সিলিন্ডারের দাম কত হলো?
যে নম্বর দ্বারা সেগুলিকে (Toto Service) সহজেই সনাক্ত করা যাবে। ফলে অতি সহজেই বোঝা যাবে কোনো অবৈধ টোটো রাজ্যের রাস্তাগুলিতে চলাচল করছে কি না। পাশাপাশি টোটোর যাত্রীগণ অথবা চালক কোনো সমস্যায় পড়লে সেই নম্বরটি নিয়ে প্রশাসনের কাছে এই বিষয়টি দাখিল করা যাবে। টোটোর যাবতীয় বিবরণ থেকে শুরু করে ইঞ্জিন নম্বর এমনকি মালিকের নাম ও ঠিকানা ইত্যাদি সব তথ্য পাওয়া যাবে এই রেজিস্ট্রেশন নম্বর দ্বারা সার্চ করে।
আরও পড়ুন, কেন্দ্রের চাপে বন্ধ হতে পারে গরীবের ফ্রি রেশন। এবার শুধুমাত্র এরাই ফ্রি রেশন পাবেন।
নতুন নিয়মে সুবিধা
১) সরকারের নিয়ন্ত্রনে থাকলে যাত্রী পরিবহন আরও নিরাপদ হবে।
২) প্রত্যেকটি গাড়ির লাইসেন্স ও নির্দিষ্ট নম্বর প্লেট থাকবে।
৩) দুর্ঘটনা বা কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে টোটো চালক কে সহজে সনাক্ত করা যাবে।
৪) টোটো এর রেজিস্ট্রেশন হলে সরকার অতিরিক্ত রাজস্ব বা ট্যাক্স আদায় করতে পারবে।
৫) টোটো চালকদের লাইসেন্স দিলে কোনও এলাকার Toto Service এর সঠিক সংখ্যা পাওয়া যাবে। যার জেরে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রনে সহায়ক হবে।
Written by Nabadip Saha.