লটারি নিয়ে চিটিংবাজি ধরা পড়লো, 1st প্রাইজ নম্বর বিক্রি হয়না, বন্ধ হয়ে গেল ডিয়ার লটারি বিক্রয়।।

অজানা কোম্পানির লটারি টিকিট কাটলেই বিপদ।

ভাগ্য নির্ধারক হিসেবে Lottery টিকিট এখন বেশ জনপ্রিয়। আগে পাক্ষিক, মাসিক, ষান্মাসিক বা বার্ষিক লটারির প্রচলন ছিল। তবে এখন লটারি টিকিটের খেলা হয় কয়েক ঘন্টা পরপরই। তাই পুরস্কার পাবার সম্ভাবনাও অনেক বেশি থাকে।

Lottery কাটার নানা রকমের টিপস আমরাই আপনাদের সামনে নিয়ে আসি বারংবার। যদিও এমন কোন টিপস নেই, যা আপনাকে 100% গ্যারান্টি দেবে পুরস্কার জেতার। ভাগ্যেরও অনেক হাত থাকে এখানে। তবে এ কোন কারণ যা আপনার পুরস্কার জেতার পথের বাধা?

ভাবুন তো, এই Lottery টিকিটের যদি প্রাইজই না থাকে, তাহলে আপনি পাবেন কি করে? বিষয়টি পরিষ্কার করে বলা যাক। ধরুণ, আপনি টিপস মেনেই কাটলেন Lottery আর আপনার ভাগ্যও সাথ দিল। কিন্তু তাও পেলেন না। কারণ, টিকিটের পুরস্কারের নাম্বারগুলি সব ফেরত যাচ্ছে সরকারের ঘরেই।

সম্প্রতি এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। তবে সত্য মিথ্যা যাচাই করি নি আমরা। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসাত অঞ্চলের লটারি টিকিট বিক্রেতারা রীতিমতো মাইকিং করে এর বিরোধিতায় সামিল হয়েছেন।

সেই Lottery সংস্থার বিরুদ্ধে রীতিমতো বেশ ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন তারা। তাদের মতে, টিকিটের কমিশন অনেক পরিমানে কমানো হয়েছে। এছাড়া পুরস্কার পাচ্ছেন না ক্রেতারা। কারণ পুরস্কার ফেরত যাচ্ছে সরকারের ঘরে। গত 10ই অক্টোবর থেকে তাদের এই টিকিট বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়।

সেই লটারি সংস্থার বিরুদ্ধে তারা সরাসরি শোষণের অভিযোগ এনেছেন। টিকিট কেটে যদি ক্রেতারা পুরস্কার নাই জিততে পারেন, তাহলে তারাও এই কোম্পানির টিকিট থেকে ধীরে ধীরে দূরে সরে যাবেন। বিক্রিও কমে যাচ্ছে দিন দিন।

জেতার গোপন 4টি অব্যর্থ ফর্মুলা! শুভ দীপাবলিতে ভাগ্যের চাকা ঘুরতে বাধ্য।

এই Lottery টিকিট বিক্রি করে সংসার চলে বহু টিকিট বিক্রেতার। তারা এই কম কমিশনে কাজ করতে চাইছেন না। এছাড়াও তাদের ভাউচার পদ্ধতিও আবার ফিরিয়ে আনার দাবি তাদের। তাদের কথায় এখন আন্দোলন চলতে থাকবে অনির্দিষ্ট কালের জন্য।

বর্তমানে ঐ এলাকায় Lottery টিকিট ক্রয় বিক্রয় সম্পূর্ণ বন্ধ। ফলে অনেকেই পড়েছেন মহা বিপদে। টিকিট কাটার জন্য যেতে হচ্ছে অন্য জায়গায়। বারাসাত এলাকার লটারি সেলার এসোসিয়েশন থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

লটারি জেতার বৈজ্ঞানিক উপায়, খুব সহজেই ভাগ্যবান হওয়ার গোপন সুত্র।

আগেও এমন অনেক ছোট খাটো অভিযোগ উঠতো, তবে তা আসতো টিকিট ক্রেতাদের থেকে। অনেকেরই বক্তব্য ছিল, যে তারা এতদিন ধরে লটারি কাটছেন। নিজেরা তো দূরে থাক, আসে পাশেও খবর পাচ্ছেন না প্রথম পুরস্কার বিজেতার।

কারণ পুরস্কার ফেরত যেত সরকারের ঘোরে। তবে এবারের একধাপ এগিয়ে অভিযোগ উঠলো বড়োসড় তাও আবার খোদ লটারি বিক্রতাদের থেকেই। এমন আরো খবর পেতে আমাদের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ।
Written by Mukta Barai.

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button